সূরা আলে ইমরানের শেষ এগারো আয়াত (রাতে জেগে)
রাতে ঘুম থেকে জেগে, আকাশের দিকে তাকিয়ে
বাংলা উচ্চারণ
ইন্না ফী খালক্বিস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি ওয়াখতিলা-ফিল লাইলি ওয়ান নাহা-রি লাআ-ইয়া-তিল লিউলিল আলবা-ব। আল্লাযীনা ইয়াযকুরূনাল্লা-হা ক্বিয়া-মাঁও ওয়া ক্বু‘ঊদাঁও ওয়া ‘আলা- জুনূবিহিম, ওয়া ইয়াতাফাক্কারূনা ফী খালক্বিস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব, রব্বানা- মা- খালাক্বতা হা-যা- বা-ত্বিলা-, সুবহা-নাকা ফাক্বিনা- ‘আযা-বান না-র। রব্বানা- ইন্নাকা মান তুদখিলিন না-রা ফাক্বাদ আখযাইতাহ, ওয়ামা- লিয্যা-লিমীনা মিন আনসা-র। রব্বানা- ইন্নানা- সামি‘না- মুনা-দিইয়াই ইউনা-দী লিলঈমা-নি আন আ-মিনূ বিরব্বিকুম ফাআ-মান্না-, রব্বানা- ফাগফির লানা- যুনূবানা- ওয়া কাফফির ‘আন্না- সাইয়্যিআ-তিনা- ওয়া তাওয়াফফানা- মা‘আল আবরা-র। রব্বানা- ওয়া আ-তিনা- মা- ওয়া‘আদতানা- ‘আলা- রুসুলিকা ওয়ালা- তুখযিনা- ইয়াওমাল ক্বিয়া-মাহ, ইন্নাকা লা- তুখলিফুল মী‘আ-দ।
অর্থ
নিশ্চয়ই আসমান ও জমিনের সৃষ্টিতে এবং রাত ও দিনের পরিবর্তনে বুদ্ধিমানদের জন্য নিদর্শন রয়েছে; যারা দাঁড়িয়ে, বসে ও শুয়ে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং আসমান ও জমিনের সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা করে (এবং বলে): হে আমাদের রব! আপনি এসব অনর্থক সৃষ্টি করেননি, আপনি পবিত্র; তাই আমাদের জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করুন। হে আমাদের রব! আপনি যাকে জাহান্নামে প্রবেশ করান, তাকে তো লাঞ্ছিত করলেন; আর জালিমদের কোনো সাহায্যকারী নেই। হে আমাদের রব! আমরা একজন আহ্বানকারীকে ঈমানের দিকে ডাকতে শুনেছি যে, তোমাদের রবের প্রতি ঈমান আনো; তাই আমরা ঈমান এনেছি। হে আমাদের রব! আমাদের গুনাহ ক্ষমা করুন, আমাদের মন্দ কাজগুলো মুছে দিন এবং নেককারদের সাথে আমাদের মৃত্যু দিন। হে আমাদের রব! আপনার রাসূলদের মাধ্যমে আমাদের যা ওয়াদা করেছেন তা দিন এবং কিয়ামতের দিন আমাদের লাঞ্ছিত করবেন না; নিশ্চয়ই আপনি ওয়াদা ভঙ্গ করেন না।
প্রসঙ্গ ও ফযীলত
রাসূলুল্লাহ ﷺ রাতে জেগে আকাশের দিকে তাকিয়ে সূরা আলে ইমরানের ১৯০ থেকে ২০০ নম্বর আয়াত পর্যন্ত পড়তেন। এখানে দোয়ার অংশ (১৯০–১৯৪) দেওয়া হলো; পূর্ণ এগারো আয়াত পড়া সুন্নাহ। হিসনুল মুসলিমে আছে।