ফজর থেকে সূর্যোদয় বা তার কিছু পর পর্যন্ত উত্তম; দুপুরের আগ পর্যন্তও পড়া যায়
সকালের যিকির
১ / ২০ · আয়াতুল কুরসী কুরআন
اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ ۚ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۗ مَنْ ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ ۖ وَلَا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ
আল্লা-হু লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়াল হাইয়ুল ক্বাইয়ূম। লা- তা’খুযুহূ সিনাতুঁও ওয়ালা- নাওম। লাহূ মা- ফিস সামা-ওয়া-তি ওয়ামা- ফিল আরদ্ব। মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইনদাহূ ইল্লা- বিইযনিহ। ইয়া‘লামু মা- বাইনা আইদীহিম ওয়ামা- খালফাহুম, ওয়ালা- ইউহীত্বূনা বিশাইইম মিন ‘ইলমিহী ইল্লা- বিমা- শা-আ। ওয়াসি‘আ কুরসিইয়ুহুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব, ওয়ালা- ইয়াঊদুহূ হিফযুহুমা-, ওয়া হুওয়াল ‘আলিইয়ুল ‘আযীম।
আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই; তিনি চিরঞ্জীব, সবকিছুর ধারক। তন্দ্রা ও নিদ্রা তাঁকে স্পর্শ করে না। আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সবই তাঁর। কে আছে যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর কাছে সুপারিশ করবে? তাদের সামনে ও পেছনে যা আছে তিনি সব জানেন। তিনি যতটুকু চান তা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কিছুই তারা আয়ত্ত করতে পারে না। তাঁর কুরসী আসমান ও জমিন পরিব্যাপ্ত; এ দুটির রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না। তিনি সর্বোচ্চ, মহান।
সূরা আল-বাকারা ২:২৫৫ · হাকিম ২০৬৪ · বুখারী ২৩১১ · ১ বার · বিস্তারিত
২ / ২০ · তিন কুল: সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস কুরআন
قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ اللَّهُ الصَّمَدُ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ وَمِنْ شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ وَمِنْ شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ مَلِكِ النَّاسِ إِلَهِ النَّاسِ مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ
কুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ। আল্লা-হুস স্বামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ। ওয়ালাম ইয়াকুল লাহূ কুফুওয়ান আহাদ।
কুল আ‘ঊযু বিরাব্বিল ফালাক্ব। মিন শাররি মা- খালাক্ব। ওয়া মিন শাররি গা-সিক্বিন ইযা- ওয়াক্বাব। ওয়া মিন শাররিন নাফফা-সা-তি ফিল ‘উক্বাদ। ওয়া মিন শাররি হা-সিদিন ইযা- হাসাদ।
কুল আ‘ঊযু বিরাব্বিন না-স। মালিকিন না-স। ইলা-হিন না-স। মিন শাররিল ওয়াসওয়া-সিল খান্না-স। আল্লাযী ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন না-স। মিনাল জিন্নাতি ওয়ান না-স।
বলুন, তিনি আল্লাহ, এক। আল্লাহ অমুখাপেক্ষী। তিনি কাউকে জন্ম দেননি, কারো থেকে জন্ম নেননি। তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই।
বলুন, আমি আশ্রয় চাই ঊষার রবের কাছে, তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, অন্ধকার রাতের অনিষ্ট থেকে যখন তা ছেয়ে যায়, গিঁটে ফুঁ দেওয়া নারীদের অনিষ্ট থেকে, আর হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।
বলুন, আমি আশ্রয় চাই মানুষের রব, মানুষের অধিপতি, মানুষের ইলাহের কাছে, আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে, যে মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়, জিনদের মধ্য থেকে ও মানুষের মধ্য থেকে।
আবু দাউদ ৫০৮২ · তিরমিযী ৩৫৭৫ · ৩ বার · বিস্তারিত
৩ / ২০ · হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া (৭ বার) হাসান
حَسْبِيَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ، عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ، وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ
হাসবিয়াল্লা-হু লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়া, ‘আলাইহি তাওয়াক্কালতু, ওয়া হুওয়া রব্বুল ‘আরশিল ‘আযীম।
আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আমি তাঁর ওপরই ভরসা করেছি, আর তিনি মহান আরশের রব।
আবু দাউদ ৫০৮১ · ইবনুস সুন্নী, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ ৭১ · ৭ বার · বিস্তারিত
৪ / ২০ · সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার সহীহ
اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي، فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ
আল্লা-হুম্মা আনতা রব্বী, লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা, খালাক্বতানী ওয়া আনা ‘আবদুকা, ওয়া আনা ‘আলা- ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাসতাত্ব‘তু, আ‘ঊযু বিকা মিন শাররি মা- স্বানা‘তু, আবূউ লাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূউ বিযাম্বী, ফাগফির লী, ফাইন্নাহূ লা- ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা- আনতা।
হে আল্লাহ! আপনি আমার রব, আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, আমি আপনার বান্দা। আমি সাধ্যমতো আপনার অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতির ওপর আছি। আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই। আমার ওপর আপনার নিয়ামত স্বীকার করছি, আমার গুনাহও স্বীকার করছি। আমাকে ক্ষমা করুন, আপনি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারে না।
সহীহ বুখারী ৬৩০৬ · ১ বার · বিস্তারিত
৫ / ২০ · বিসমিল্লাহিল্লাযী লা ইয়াদুররু সহীহ
بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ
বিসমিল্লা-হিল্লাযী লা- ইয়াদ্বুররু মা‘আসমিহী শাইউন ফিল আরদ্বি ওয়ালা- ফিস সামা-য়ি, ওয়া হুওয়াস সামী‘উল ‘আলীম।
আল্লাহর নামে, যাঁর নামের সাথে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
তিরমিযী ৩৩৮৮ · ইবনে মাজাহ ৩৮৬৯ · আবু দাউদ ৫০৮৮ · ৩ বার · বিস্তারিত
৬ / ২০ · লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু সহীহ
لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহূ লা- শারীকা লাহূ, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুওয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।
আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁর, তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান।
ইবনে হিব্বান ২০২৩ · বুখারী ৬৪০৩ · মুসলিম ২৬৯১ · ১০ বার · বিস্তারিত
৭ / ২০ · আল্লাহুম্মা বিকা আসবাহনা সহীহ
اللَّهُمَّ بِكَ أَصْبَحْنَا، وَبِكَ أَمْسَيْنَا، وَبِكَ نَحْيَا، وَبِكَ نَمُوتُ، وَإِلَيْكَ النُّشُورُ
আল্লা-হুম্মা বিকা আসবাহনা-, ওয়া বিকা আমসাইনা-, ওয়া বিকা নাহইয়া-, ওয়া বিকা নামূতু, ওয়া ইলাইকান নুশূর।
হে আল্লাহ! আপনার অনুগ্রহে আমরা সকালে উপনীত হয়েছি, আপনার অনুগ্রহেই সন্ধ্যায় উপনীত হই; আপনার নামে বাঁচি, আপনার নামে মরি, আর আপনার কাছেই পুনরুত্থান।
তিরমিযী ৩৩৯১ · ইবনে মাজাহ ৩৮৬৮ · ১ বার · বিস্তারিত
৮ / ২০ · আসবাহনা আলা ফিতরাতিল ইসলাম সহীহ
أَصْبَحْنَا عَلَى فِطْرَةِ الْإِسْلَامِ، وَعَلَى كَلِمَةِ الْإِخْلَاصِ، وَعَلَى دِينِ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ ﷺ، وَعَلَى مِلَّةِ أَبِينَا إِبْرَاهِيمَ حَنِيفًا مُسْلِمًا، وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشْرِكِينَ
আসবাহনা- ‘আলা- ফিত্বরাতিল ইসলা-ম, ওয়া ‘আলা- কালিমাতিল ইখলা-স, ওয়া ‘আলা- দীনি নাবিইয়িনা- মুহাম্মাদিন ﷺ, ওয়া ‘আলা- মিল্লাতি আবীনা- ইবরা-হীমা হানীফাম মুসলিমা-, ওয়ামা- কা-না মিনাল মুশরিকীন।
আমরা সকালে উপনীত হয়েছি ইসলামের ফিতরাতের ওপর, ইখলাসের কালিমার ওপর, আমাদের নবী মুহাম্মাদ ﷺ-এর দ্বীনের ওপর, আর আমাদের পিতা ইবরাহীমের মিল্লাতের ওপর, যিনি ছিলেন একনিষ্ঠ মুসলিম, মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।
মুসনাদ আহমাদ ১৫৩৬৩ · ১ বার · বিস্তারিত
৯ / ২০ · আল্লাহুম্মা ফাতিরাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ সহীহ
اللَّهُمَّ فَاطِرَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ، عَالِمَ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، رَبَّ كُلِّ شَيْءٍ وَمَلِيكَهُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِي، وَمِنْ شَرِّ الشَّيْطَانِ وَشِرْكِهِ، وَأَنْ أَقْتَرِفَ عَلَى نَفْسِي سُوءًا أَوْ أَجُرَّهُ إِلَى مُسْلِمٍ
আল্লা-হুম্মা ফা-ত্বিরাস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব, ‘আ-লিমাল গাইবি ওয়াশ শাহা-দাহ, লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা, রব্বা কুল্লি শাইয়িন ওয়া মালীকাহ, আ‘ঊযু বিকা মিন শাররি নাফসী, ওয়া মিন শাররিশ শাইত্বা-নি ওয়া শিরকিহী, ওয়া আন আক্বতারিফা ‘আলা- নাফসী সূআন আও আজুররাহূ ইলা- মুসলিম।
হে আল্লাহ! আসমান ও জমিনের স্রষ্টা, অদৃশ্য ও দৃশ্যের জ্ঞানী! আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, আপনি সবকিছুর রব ও মালিক। আমি আপনার আশ্রয় চাই আমার নফসের অনিষ্ট থেকে, শয়তানের অনিষ্ট ও তার শিরকের আহ্বান থেকে, এবং নিজের ওপর কোনো অন্যায় করা বা কোনো মুসলিমের দিকে তা টেনে নেওয়া থেকে।
আল-আদাবুল মুফরাদ ১২০৪ · মুসনাদ আহমাদ ৬৮৫১ · তিরমিযী ৩৩৯২ · ১ বার · বিস্তারিত
১০ / ২০ · দুনিয়া ও আখিরাতে আফিয়াত চাওয়া সহীহ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي دِينِي وَدُنْيَايَ وَأَهْلِي وَمَالِي، اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِي، وَآمِنْ رَوْعَاتِي، اللَّهُمَّ احْفَظْنِي مِنْ بَيْنِ يَدَيَّ، وَمِنْ خَلْفِي، وَعَنْ يَمِينِي، وَعَنْ شِمَالِي، وَمِنْ فَوْقِي، وَأَعُوذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِي
আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল ‘আফওয়া ওয়াল ‘আ-ফিয়াতা ফিদ দুনইয়া- ওয়াল আ-খিরাহ। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল ‘আফওয়া ওয়াল ‘আ-ফিয়াতা ফী দীনী ওয়া দুনইয়া-ইয়া ওয়া আহলী ওয়া মা-লী। আল্লা-হুম্মাসতুর ‘আওরা-তী ওয়া আ-মিন রাও‘আ-তী। আল্লা-হুম্মাহফাযনী মিম বাইনি ইয়াদাইয়্যা ওয়া মিন খালফী, ওয়া ‘আন ইয়ামীনী ওয়া ‘আন শিমা-লী, ওয়া মিন ফাওক্বী, ওয়া আ‘ঊযু বি‘আযামাতিকা আন উগতা-লা মিন তাহতী।
হে আল্লাহ! দুনিয়া ও আখিরাতে আপনার কাছে ক্ষমা ও নিরাপত্তা চাই। হে আল্লাহ! আমার দ্বীন, দুনিয়া, পরিবার ও সম্পদে ক্ষমা ও নিরাপত্তা চাই। হে আল্লাহ! আমার দোষগুলো ঢেকে রাখুন, আমার ভয়কে নিরাপত্তায় বদলে দিন। হে আল্লাহ! আমাকে হেফাযত করুন সামনে থেকে, পেছন থেকে, ডান দিক থেকে, বাম দিক থেকে ও ওপর থেকে। আর নিচ থেকে হঠাৎ ধ্বংস হওয়া থেকে আপনার মহত্ত্বের আশ্রয় চাই।
ইবনে মাজাহ ৩৮৭১ · আবু দাউদ ৫০৭৪ · ১ বার · বিস্তারিত
১১ / ২০ · আল্লাহুম্মা আফিনী ফী বাদানী হাসান
اللَّهُمَّ عَافِنِي فِي بَدَنِي، اللَّهُمَّ عَافِنِي فِي سَمْعِي، اللَّهُمَّ عَافِنِي فِي بَصَرِي، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ وَالْفَقْرِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ
আল্লা-হুম্মা ‘আ-ফিনী ফী বাদানী, আল্লা-হুম্মা ‘আ-ফিনী ফী সাম‘ঈ, আল্লা-হুম্মা ‘আ-ফিনী ফী বাসারী, লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিনাল কুফরি ওয়াল ফাক্বর। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিন ‘আযা-বিল ক্বাবর, লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা।
হে আল্লাহ! আমার শরীরে সুস্থতা দিন। হে আল্লাহ! আমার শ্রবণশক্তিতে সুস্থতা দিন। হে আল্লাহ! আমার দৃষ্টিশক্তিতে সুস্থতা দিন। আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। হে আল্লাহ! কুফর ও দারিদ্র্য থেকে আপনার আশ্রয় চাই, কবরের আযাব থেকে আশ্রয় চাই। আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।
আবু দাউদ ৫০৯০ · ৩ বার · বিস্তারিত
১২ / ২০ · সকালের দোয়া: আসবাহনা ওয়া আসবাহাল মুলকু লিল্লাহ সহীহ
أَصْبَحْنَا وَأَصْبَحَ الْمُلْكُ لِلَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، رَبِّ أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا فِي هَذَا الْيَوْمِ وَخَيْرَ مَا بَعْدَهُ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِي هَذَا الْيَوْمِ وَشَرِّ مَا بَعْدَهُ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَسُوءِ الْكِبَرِ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابٍ فِي النَّارِ وَعَذَابٍ فِي الْقَبْرِ
আসবাহনা- ওয়া আসবাহাল মুলকু লিল্লা-হি, ওয়াল হামদু লিল্লা-হি, লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহূ লা- শারীকা লাহূ, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুওয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর। রব্বি আসআলুকা খাইরা মা- ফী হা-যাল ইয়াওমি ওয়া খাইরা মা- বা‘দাহূ, ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন শাররি মা- ফী হা-যাল ইয়াওমি ওয়া শাররি মা- বা‘দাহূ। রব্বি আ‘ঊযু বিকা মিনাল কাসালি ওয়া সূইল কিবার। রব্বি আ‘ঊযু বিকা মিন ‘আযা-বিন ফিন্না-রি ওয়া ‘আযা-বিন ফিল ক্বাবর।
আমরা সকালে উপনীত হয়েছি, আর রাজত্বও আল্লাহর জন্য সকালে উপনীত হয়েছে। সকল প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁর, তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। হে রব! এই দিনের এবং এর পরের কল্যাণ চাই; এই দিনের এবং এর পরের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই। হে রব! অলসতা ও বার্ধক্যের কষ্ট থেকে আশ্রয় চাই। হে রব! জাহান্নামের আযাব ও কবরের আযাব থেকে আশ্রয় চাই।
সহীহ মুসলিম ২৭২৩ · তিরমিযী ৩৩৯০ · ১ বার · বিস্তারিত
১৩ / ২০ · সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি (১০০ বার) সহীহ
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ
সুবহা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী।
আমি আল্লাহর প্রশংসাসহ তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করছি।
সহীহ মুসলিম ২৬৯২ · ১০০ বার · বিস্তারিত
১৪ / ২০ · আল্লাহুম্মা ইন্নী আসবাহতু উশহিদুকা (৪ বার) হাসান
اللَّهُمَّ إِنِّي أَصْبَحْتُ أُشْهِدُكَ، وَأُشْهِدُ حَمَلَةَ عَرْشِكَ، وَمَلَائِكَتَكَ، وَجَمِيعَ خَلْقِكَ، بِأَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ وَحْدَكَ لَا شَرِيكَ لَكَ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ
আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসবাহতু উশহিদুকা, ওয়া উশহিদু হামালাতা ‘আরশিকা, ওয়া মালা-ইকাতাকা, ওয়া জামী‘আ খালক্বিকা, বিআন্নাকা আনতাল্লা-হু লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা ওয়াহদাকা লা- শারীকা লাকা, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুকা ওয়া রাসূলুক।
হে আল্লাহ! আমি সকালে উপনীত হয়েছি। আমি আপনাকে, আপনার আরশ বহনকারী ফেরেশতাদের, আপনার সব ফেরেশতা ও আপনার সব সৃষ্টিকে সাক্ষী রাখছি যে, আপনিই আল্লাহ, আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, আপনি এক, আপনার কোনো শরীক নেই; আর মুহাম্মাদ আপনার বান্দা ও রাসূল।
আবু দাউদ ৫০৬৯ · নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ ৭ · ৪ বার · বিস্তারিত
১৫ / ২০ · ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুম হাসান
يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيثُ، أَصْلِحْ لِي شَأْنِي كُلَّهُ، وَلَا تَكِلْنِي إِلَى نَفْسِي طَرْفَةَ عَيْنٍ
ইয়া- হাইয়ু ইয়া- ক্বাইয়ূমু বিরাহমাতিকা আসতাগীস, আসলিহ লী শা’নী কুল্লাহূ, ওয়ালা- তাকিলনী ইলা- নাফসী ত্বারফাতা ‘আইন।
হে চিরঞ্জীব, হে সবকিছুর ধারক! আপনার রহমতের উসিলায় সাহায্য চাই। আমার সব বিষয় ঠিক করে দিন, আর এক পলকের জন্যও আমাকে আমার নিজের হাতে ছেড়ে দেবেন না।
হাকিম ২০০০ · নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ · ১ বার · বিস্তারিত
১৬ / ২০ · আল্লাহুম্মা মা আসবাহা বী মিন নি‘মাহ হাসান
اللَّهُمَّ مَا أَصْبَحَ بِي مِنْ نِعْمَةٍ أَوْ بِأَحَدٍ مِنْ خَلْقِكَ فَمِنْكَ وَحْدَكَ لَا شَرِيكَ لَكَ، فَلَكَ الْحَمْدُ وَلَكَ الشُّكْرُ
আল্লা-হুম্মা মা- আসবাহা বী মিন নি‘মাতিন আও বিআহাদিম মিন খালক্বিকা ফামিনকা ওয়াহদাকা লা- শারীকা লাকা, ফালাকাল হামদু ওয়া লাকাশ শুকর।
হে আল্লাহ! সকালে আমার বা আপনার কোনো সৃষ্টির কাছে যে নিয়ামত পৌঁছেছে, তা শুধু আপনার পক্ষ থেকে, আপনার কোনো শরীক নেই। তাই সব প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা আপনার।
ইবনে হিব্বান ৮৬১ · আবু দাউদ ৫০৭৩ · ১ বার · বিস্তারিত
১৭ / ২০ · সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি আদাদা খালকিহি সহীহ
سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ، عَدَدَ خَلْقِهِ، وَرِضَا نَفْسِهِ، وَزِنَةَ عَرْشِهِ، وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ
সুবহা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী, ‘আদাদা খালক্বিহী, ওয়া রিদ্বা- নাফসিহী, ওয়া যিনাতা ‘আরশিহী, ওয়া মিদা-দা কালিমা-তিহ।
আল্লাহর প্রশংসাসহ তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করছি, তাঁর সৃষ্টির সংখ্যার সমান, তাঁর সন্তুষ্টি পরিমাণ, তাঁর আরশের ওজনের সমান এবং তাঁর বাণী লেখার কালির সমান।
সহীহ মুসলিম ২৭২৬ · ৩ বার · বিস্তারিত
১৮ / ২০ · উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিযিক ও কবুল আমল সহীহ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا
আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা ‘ইলমান না-ফি‘আঁও, ওয়া রিযক্বান ত্বাইয়্যিবাঁও, ওয়া ‘আমালাম মুতাক্বাব্বালা-।
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিযিক এবং কবুলযোগ্য আমল চাই।
ইবনে মাজাহ ৯২৫ · ১ বার · বিস্তারিত
১৯ / ২০ · আল্লাহুম্মা আজিরনী মিনান নার (৭ বার) হাসান
اللَّهُمَّ أَجِرْنِي مِنَ النَّارِ
আল্লা-হুম্মা আজিরনী মিনান না-র।
হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করুন।
ইবনে হিব্বান ২০২২ · ৭ বার · বিস্তারিত
২০ / ২০ · সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার (প্রতিটি ১০০ বার) সহীহ
سُبْحَانَ اللَّهِ (١٠٠) ، الْحَمْدُ لِلَّهِ (١٠٠) ، اللَّهُ أَكْبَرُ (١٠٠)
সুবহা-নাল্লা-হ (১০০ বার), আলহামদু লিল্লা-হ (১০০ বার), আল্লা-হু আকবার (১০০ বার)।
আল্লাহ পবিত্র; সকল প্রশংসা আল্লাহর; আল্লাহ সবচেয়ে বড়।
আত-তারগীব ওয়াত তারহীব ৯৭৪ · সহীহুত তারগীব ৬৫৮ · নাসাঈ, আস-সুনানুল কুবরা ১০৫৮৮ · ১০০ বার · বিস্তারিত
الْحَمْدُ لِلَّهِ
সকালের যিকির শেষ হয়েছে
আল্লাহ কবুল করুন।
০
প্রতিবার পড়ে বৃত্তে চাপ দিন
যিকিরের নিয়ম
ওযু ছাড়াও সকাল-সন্ধ্যার যিকির করা যায়।
মাসিক ও নেফাস অবস্থায়ও সকাল-সন্ধ্যার দু‘আ ও যিকির করা যায়।
হাঁটা বা অন্য কাজের ফাঁকেও পড়া যায়, তবে শুধু যিকিরে মনোযোগ দেওয়া উত্তম।
কুরআনের সূরা বা আয়াত ছাড়া অন্য দু‘আ ও যিকিরের শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়তে হয় না।
ক্রম ও সংখ্যা: শায়খ আহমাদুল্লাহ, রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সকাল-সন্ধ্যার দু‘আ ও যিক্র