তিন কুল: সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস
সকাল-সন্ধ্যায় ৩ বার করে; ঘুমের আগে
বাংলা উচ্চারণ
কুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ। আল্লা-হুস স্বামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ। ওয়ালাম ইয়াকুল লাহূ কুফুওয়ান আহাদ। কুল আ‘ঊযু বিরাব্বিল ফালাক্ব। মিন শাররি মা- খালাক্ব। ওয়া মিন শাররি গা-সিক্বিন ইযা- ওয়াক্বাব। ওয়া মিন শাররিন নাফফা-সা-তি ফিল ‘উক্বাদ। ওয়া মিন শাররি হা-সিদিন ইযা- হাসাদ। কুল আ‘ঊযু বিরাব্বিন না-স। মালিকিন না-স। ইলা-হিন না-স। মিন শাররিল ওয়াসওয়া-সিল খান্না-স। আল্লাযী ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন না-স। মিনাল জিন্নাতি ওয়ান না-স।
অর্থ
বলুন, তিনি আল্লাহ, এক। আল্লাহ অমুখাপেক্ষী। তিনি কাউকে জন্ম দেননি, কারো থেকে জন্ম নেননি। তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই। বলুন, আমি আশ্রয় চাই ঊষার রবের কাছে, তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, অন্ধকার রাতের অনিষ্ট থেকে যখন তা ছেয়ে যায়, গিঁটে ফুঁ দেওয়া নারীদের অনিষ্ট থেকে, আর হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে। বলুন, আমি আশ্রয় চাই মানুষের রব, মানুষের অধিপতি, মানুষের ইলাহের কাছে, আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে, যে মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়, জিনদের মধ্য থেকে ও মানুষের মধ্য থেকে।
প্রসঙ্গ ও ফযীলত
সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার করে পড়লে সবকিছুর জন্য যথেষ্ট হবে (আবু দাউদ ৫০৮২, তিরমিযী ৩৫৭৫)। ঘুমের আগে দুই হাতে ফুঁ দিয়ে শরীরে বুলিয়ে নিতেন (বুখারী ৫০১৭)। প্রতি ফরজ নামাযের পর একবার করে, আর ফজর ও মাগরিবের পর ৩ বার করে পড়ার কথা ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীরের সহীহ মাসনূন ওযীফায় আছে।