আল্লাহুম্মা ফাতিরাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ
সকাল-সন্ধ্যা ও ঘুমানোর সময়
اللَّهُمَّ فَاطِرَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ، عَالِمَ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، رَبَّ كُلِّ شَيْءٍ وَمَلِيكَهُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِي، وَمِنْ شَرِّ الشَّيْطَانِ وَشِرْكِهِ، وَأَنْ أَقْتَرِفَ عَلَى نَفْسِي سُوءًا أَوْ أَجُرَّهُ إِلَى مُسْلِمٍ
বাংলা উচ্চারণ
আল্লা-হুম্মা ফা-ত্বিরাস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব, ‘আ-লিমাল গাইবি ওয়াশ শাহা-দাহ, লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা, রব্বা কুল্লি শাইয়িন ওয়া মালীকাহ, আ‘ঊযু বিকা মিন শাররি নাফসী, ওয়া মিন শাররিশ শাইত্বা-নি ওয়া শিরকিহী, ওয়া আন আক্বতারিফা ‘আলা- নাফসী সূআন আও আজুররাহূ ইলা- মুসলিম।
অর্থ
হে আল্লাহ! আসমান ও জমিনের স্রষ্টা, অদৃশ্য ও দৃশ্যের জ্ঞানী! আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, আপনি সবকিছুর রব ও মালিক। আমি আপনার আশ্রয় চাই আমার নফসের অনিষ্ট থেকে, শয়তানের অনিষ্ট ও তার শিরকের আহ্বান থেকে, এবং নিজের ওপর কোনো অন্যায় করা বা কোনো মুসলিমের দিকে তা টেনে নেওয়া থেকে।
প্রসঙ্গ ও ফযীলত
আবু বকর (রা.)-কে রাসূলুল্লাহ ﷺ সকাল, সন্ধ্যা ও ঘুমানোর সময় এটি পড়তে বলেছেন। কোনো বর্ণনায় ‘ফাতিরাস সামাওয়াতি’ আগে এবং ‘আলিমাল গাইবি’ পরে এসেছে; দুটিই সঠিক।