আয়াতুশ শিফা: আরোগ্যের ছয় আয়াত
অসুস্থতায় রুকইয়াহর সময়; পানি, মধু, কালোজিরা বা তেলে পড়ে ফুঁ দিতে · ৩ বার
বাংলা উচ্চারণ
ক্বা-তিলূহুম ইউ‘আযযিবহুমুল্লা-হু বিআইদীকুম ওয়া ইউখযিহিম ওয়া ইয়ানসুরকুম ‘আলাইহিম ওয়া ইয়াশফি সুদূরা ক্বাওমিম মু’মিনীন। ইয়া- আইয়ুহান না-সু ক্বাদ জা-আতকুম মাও‘ইযাতুম মির রব্বিকুম ওয়া শিফা-উল লিমা- ফিস সুদূরি ওয়া হুদাঁও ওয়া রহমাতুল লিল মু’মিনীন। সুম্মা কুলী মিন কুল্লিস সামারা-তি ফাসলুকী সুবুলা রব্বিকি যুলুলা-, ইয়াখরুজু মিম বুত্বূনিহা- শারা-বুম মুখতালিফুন আলওয়া-নুহূ ফীহি শিফা-উল লিন না-স, ইন্না ফী যা-লিকা লাআ-য়াতাল লিক্বাওমিই ইয়াতাফাক্কারূন। ওয়া নুনাযযিলু মিনাল ক্বুরআ-নি মা- হুওয়া শিফা-উঁও ওয়া রহমাতুল লিল মু’মিনীন, ওয়ালা- ইয়াযীদুয যা-লিমীনা ইল্লা- খাসা-রা-। ওয়া ইযা- মারিদ্বতু ফাহুওয়া ইয়াশফীন। ওয়ালাও জা‘আলনা-হু ক্বুরআ-নান আ‘জামিইয়াল লাক্বা-লূ লাওলা- ফুসসিলাত আ-য়া-তুহ, আ-আ‘জামিইয়ুঁও ওয়া ‘আরাবী, ক্বুল হুওয়া লিল্লাযীনা আ-মানূ হুদাঁও ওয়া শিফা-, ওয়াল্লাযীনা লা- ইউ’মিনূনা ফী আ-যা-নিহিম ওয়াক্বরুঁও ওয়া হুওয়া ‘আলাইহিম ‘আমা-, উলা-ইকা ইউনা-দাওনা মিম মাকা-নিম বা‘ঈদ।
অর্থ
তোমরা তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করো; আল্লাহ তোমাদের হাতে তাদের শাস্তি দেবেন, লাঞ্ছিত করবেন, তাদের বিরুদ্ধে তোমাদের সাহায্য করবেন এবং মুমিনদের অন্তর জুড়িয়ে (আরোগ্য দিয়ে) দেবেন। (৯:১৪) হে মানুষ! তোমাদের রবের পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে এসেছে উপদেশ, অন্তরের রোগের আরোগ্য, আর মুমিনদের জন্য হিদায়াত ও রহমত। (১০:৫৭) তারপর সব ধরনের ফল থেকে খাও এবং তোমার রবের সহজ করে দেওয়া পথে চলো। তার পেট থেকে বের হয় নানা রঙের পানীয়, যাতে মানুষের জন্য আরোগ্য আছে। নিশ্চয়ই এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্য নিদর্শন রয়েছে। (১৬:৬৯) আর আমি কুরআনে এমন কিছু নাযিল করি, যা মুমিনদের জন্য আরোগ্য ও রহমত; কিন্তু তা জালিমদের ক্ষতিই কেবল বাড়ায়। (১৭:৮২) আর যখন আমি অসুস্থ হই, তখন তিনিই আমাকে সুস্থ করেন। (২৬:৮০) আমি যদি একে অনারবি ভাষার কুরআন বানাতাম, তবে তারা বলত, ‘এর আয়াতগুলো স্পষ্ট করে বলা হলো না কেন? কিতাব অনারবি আর রাসূল আরব?’ বলুন, এটি মুমিনদের জন্য হিদায়াত ও আরোগ্য। আর যারা ঈমান আনে না, তাদের কানে আছে বধিরতা এবং এটি তাদের জন্য অন্ধত্ব; তাদের যেন বহু দূর থেকে ডাকা হচ্ছে। (৪১:৪৪)
প্রসঙ্গ ও ফযীলত
এই ছয় আয়াতে কুরআন বা মধুকে ‘শিফা’ (আরোগ্য) বলা হয়েছে, তাই এগুলো ‘আয়াতুশ শিফা’ নামে পরিচিত। বইয়ে শারীরিক অসুস্থতা, বান মারার জাদু ও ইস্তিহাযার রুকইয়াহয় প্রতিটি ৩ বার পড়ে পানি, মধু, কালোজিরা ও তেলে ফুঁ দিতে বলা হয়েছে; বান মারার জাদুতে ১৭:৮২ আয়াত ৭ বার। পরিশিষ্টের তালিকায় ১০:৫৮ ও ১৭:৮১ আয়াতও আছে। সংখ্যাগুলো বইয়ের পরামর্শ, হাদীসে নির্দিষ্ট নয়। রুকইয়াহর পাশাপাশি চিকিৎসা চালিয়ে যান। আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের “রুকইয়াহ” বই, পৃ. ১৮৪–১৮৫, ২৩৪, ২৬৩–২৬৪।